.....
Showing posts with label চিত্তাকর্ষক সংবাদ. Show all posts
ঝিনুক চাষে মাত্র পাঁচ মাসে মুক্তা : প্রতি একরে ৪০ লাখ টাকা আয়
সুযোগ হবে ২০ থেকে ৩০ লাভ লোকের কর্মসংস্থানের
দেশের পুকুর-দীঘি, খাল-বিল, হাওর-বাঁওড়, নদী-নালা ও জলাশয়ে মাছের সাথে ঝিনুকে মুক্তা চাষ করে প্রতি একরে ৪০লাখ টাকা অতিরিক্ত আয় করা সম্ভব বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ মাৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের (বিএফআরআই) বিজ্ঞানীরা। ইতোমধ্যে তারা ময়মনসিংহের স্বাদুপানি কেন্দ্রের পুকুরে স্বল্পসময়ে মিঠাপানির ঝিনুক থেকে মুক্তা উৎপাদনে প্রাথমিক সাফল্য অর্জন করেছেন। গবেষণাকালে কৃত্রিম উপায়ে ঝিনুকে পাঁচ মাসে দুই থেকে তিন মিলিমিটার আকারের মুক্তা উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে। এর আগে একই আকারের মুক্তা উৎপাদন করতে সময় লেগেছিল দেড় থেকে দুই বছর। স্বল্পসময়ে ঝিনুকে মুক্তা উৎপাদন প্রযুক্তি মাঠপর্যায়ে সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত মুক্তা বিদেশে রফতানি করে প্রতি বছর ১৫০০ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। একই সাথে এতে ২০ থেকে ৩০ লাখ লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
আপনারা পড়ছেন, ঝিনুক চাষে মাত্র পাঁচ মাসে মুক্তা : প্রতি একরে ৪০ লাখ টাকা আয়
বিএফআরআই ১৯৯৯-০১ সালে ময়মনসিংহের স্বাদু পানি গবেষণা কেন্দ্রে প্রথম গবেষণায় ২-৩ মিলিমিটার সাইজের মুক্তা তৈরিতে সময় লেগেছিল দেড় থেকে দুই বছর। এরপর অর্থাভাবে মুক্তা গবেষণা কার্যক্রম বন্ধ হলেও গতবছর আবার তা শুরু হয়। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০১০-১১ অর্থবছরে একটি ‘কোর’ গবেষণা প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। ওই প্রকল্পের অধীনে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ঝিনুকে মেন্টাল টিস্যু ঢুকিয়ে অপেক্ষাকৃত কম গভীরতার পুকুরে ছেড়ে দেয়া হয় এবং নিয়মিত পরিচর্যা করা হয়। এতে পাঁচ মাসেই ঝিনুকে দুই থেকে তিন মিলিমিটার আকারের মুক্তা জন্মে, যা ‘রাইস পার্ল’ নামে পরিচিত। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, বছরব্যাপী চাষ করা হলে মুক্তার আকার আরো বড় করা সম্ভব হবে। গ্রামীণ যেকোনো পরিবেশে বাড়ির আঙিনায় ছোট-বড় পুকুরে মাছের সাথে অতিরিক্ত ফসল হিসেবে মুক্তা চাষ করা সম্ভব বলে প্রকল্পের প্রধান গবেষক ড. মোহসেনা বেগম তনু জানান। গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, একটি ঝিনুকে ১০ থেকে ১২টি মুক্তা জন্মে। প্রতিটি মুক্তার খুচরামূল্য ৫০ টাকা। প্রতি শতাংশে ৬০ থেকে ১০০টি ঝিনুক চাষ করা যায়। এক হিসাবে দেখা যায়, প্রতি শতাংশে ৮০টি ঝিনুকে গড়ে ১০টি করে ৮০০ মুক্তা পাওয়া যায়, যার বাজারমূল্য ৪০ হাজার টাকা। সেই হিসাবে প্রতি একরে ৪০ লাখ টাকার মুক্তা উৎপাদন করা সম্ভব । এছাড়াও মুক্তা উৎপাদনকারী ঝিনুকের মাংস মাছ ও চিংড়ির উপাদেয় খাদ্য হিসাবেও ব্যবহৃত হয়। অনেক দেশে ঝিনুকের মাংস মানুষের খাদ্য হিসাবে খেয়ে থাকেন। অর্থাৎ একজন চাষী মুক্তাচাষ করে মুক্তার পাশাপাশি ঝিনুকের খোলস ও মাংসল অংশ বিক্রি করেও লাভবান হতে পারেন। আন্তর্জাতিক বাজারে মুক্তার চাহিদা যেমন দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তেমনিভাবে অভ্যন্তরীণ বাজারেও মুক্তার চাহিদা উলে¬খযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাছাড়া মুক্তা উৎপাদনের জন্য চাষকৃত ঝিনুক ছাঁকন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জলাশয়ের পরিবেশ উন্নত করে। উপযুক্ত পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া গেলে দেশে মুক্তাচাষে বিরাট সফলতা অর্জন করা সম্ভব-যা দেশের ব্যাপক জনগোষ্ঠির কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে দেবে।
খবর : দৈনিক নয়া দিগন্ত ও সবুজ বাংলাদেশ ২৪
ভয় (প্রতিবেদন)
ভয়। দুটি ব্যাঞ্জন বর্নের সমন্বয়ে গঠিত একটি শব্দ। শব্দটি ছোট হলেও এর তাৎপর্য বা ব্যপকতা অনেক। এই শব্দটির ক্ষমতা এতই বেশি যে এই ব্যাপারটি সৃষ্টির সেরা জীব মানুষকে সবসময় তাড়া করে বেড়ায়। ভয় সম্পর্কে কিছু বলার পূর্বে এর মোটামুটি একটি সংজ্ঞা দেওয়া প্রয়োজন। অনেক চিন্তা করার পর যে সংজ্ঞাটি আমার মনোপুত হয়েছে তা হল "যার কারনে হৃদপিন্ডের রক্তচলাচল অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়,অনুশোচনা করতে ইচ্ছে করে,মস্তিষ্ক-চোখ-মুখ তপ্ত হয়ে ওঠে,একপ্রকার ঠান্ডা শিহরন মস্তিষ্ক ও শিরদাড়া বেয়ে নীচে নেমে যায়,হাত-পা অস্বাভাবিকভাবে কাপতেঁ থাকে,দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়,চলাচল করার বা নড়াচড়া করার শক্তি হারিয়ে যায় এছাড়াও সমস্ত শরীরে ঘাম এসে যায় ইত্যাদি কারনকে সামগ্রিকভাবে ভয় বলে।" উপরোক্ত কারনগুলোর কোন না কোনটা প্রায় প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই ঘটে থাকে। ভয়ের অনেক প্রকারভেদ রয়েছে।
প্রকারভেদ :
১। সৃষ্টিকর্তার ভয়,
২। মৃত্যুর ভয়,
৩। সম্পদ হারানোর ভয়,
৪। স্বাস্থ্য হারানোর ভয়,
৫। সম্মান হারানোর ভয়,
৬। অলৌকিক সত্ত্বার ভয়,
৭। চাকরি হারানোর ভয়,
৮। অঙ্গহানীর ভয়,
৯। আত্মবিশ্বাসের ভয়,
১০। শিক্ষার ভয় বা পরিক্ষার ভয় ইত্যাদি।
আলোচনা:
আমি আজকে যে ভয়কে নিয়ে আলোচনা করব সেটি হচ্ছে অলৌকিক সত্ত্বার ভয়। অলৌকিক সত্ত্বার ভয় বলতে আমি বুঝিয়েছি কোন অতৃপ্ত আত্মার ভয়,ভূতের ভয়,অন্ধকারের আলো আধারীর ভয়,অজানা ভয় ইত্যাদি। আমি উপরের যতগুলো ভয়ের কথা বলেছি আসলে প্রকৃতপক্ষে তার কোনটাই সরল স্বাভাবিক ভয় নয়। প্রত্যেকটাই অস্বাভাবিক ভয়। মানুষের মনের অজানা কোন কুঠুরিতে এই অস্বাভাবিকতার জন্ম। সকল ভয়ই মানুষের মনের অবদান। প্রত্যেক ভয়ই মানুষের অবচেতন মন থেকে উত্পত্তি লাভ করে থাকে। সে ভয়ের সুনির্দিষ্ট কোন কারন নেই। যা মানুষের অস্বাভাবিক চিন্তার ফসল।
মানুষের মাঝে ভয় যেভাবে জন্ম নেয়:
মানুষ সবকিছুই তার পরিবার থেকে শিখে। পরিবারের পাট চুকিয়ে সে প্রকৃতি ও আশপাশের পরিবেশ থেকে শিখতে থাকে। প্রায় প্রত্যেকটি জিনিসই সে পরিবেশ থেকে শিখে। তবে তার মন পরিপূর্ণতা লাভ করলে সে নিজের কাছ থেকেই অনেক কিছু শিখতে থাকে। বহুকাল পূর্বে থেকে যা চলে এসেছে তা মানুষ সাধারনত সমাজ বা পরিবেশ থেকেই শিক্ষা লাভ করে। ভয়ও ঠিক তেমনি। এ জিনিসটিও মানুষ আশপাশের মানুষের আচরন,কথাবার্তা বা পরিবেশ থেকে শিক্ষা লাভ করে। ভয় পাওয়া অনেকটা স্কুলে শিক্ষা লাভের মতই। কেউ যদি ছোটকাল থেকেই ভয়ের সাথে পরিচিত না হয় তাহলে আশা করা যায় বড় হলে তার মধ্যে ভয় নামক জিনিসটি ঠিক মত কাজ করবে না। অর্থাত ভয় মানুষ পরিবেশ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে লাভ করে থাকে।
মানুষ কেন ভয় পায়?
মানুষ কেন ভয় পায়, এই প্রশ্নটির উত্তর বেশ কঠিন । একথা সত্য যে প্রত্যেক মানুষই তার রিপু দ্বারা প্রভাবিত। অন্ধকার দিয়ে হাটছি হঠাত যদি কোথাও একটি অস্বাভাবিক শব্দ হয় তাহলে অবশ্যই আমাকে থমকে দাড়াতে হবে। হয়তো তখন দেহে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পাবে। হ্যা, প্রশ্ন ছিল মানুষ ভয় পায় কেন? এ প্রশ্নটির উত্তর জানতে আমাকে কথা বলতে হয়েছিল এমন কিছু মানুষের সাথে যারা প্রকৃতপক্ষেই এ সব অলৌকিক অস্বাভাবিক সত্ত্বাকে ভয় পায়। তাদের সাথে কথা বলে আমি যে কয়টি তথ্য উদ্ধার করতে পেরেছি সেগুলো হল:
১। যখনই আমি একা হয়ে যাই তখনই মনে হয় কেউ আমাকে তাড়া করছে। কোন কোন সময় মনে হয় সে আমার আশপাশেই ঘুরঘুর করছে। যেকোন সময় আমার উপর ঝাপিয়ে পড়ে ঘাড়টা মটকে দিতে পারে।
২। একা হাটলেই মনে হয় কেউ আমার পিছু নিয়েছে। বাতাসের সাথে সাথে সেও আমাকে ঘীরে আছে। যেকোন সময় সে তার অস্তিত্ব প্রকাশ করতে পারে।
৩। একা থাকা মানেই ভয়। আর একা হলেই আমার ভয় লাগে। সে যে কারনেই হোক না কেন। হয়ত এটা আমার অভ্যাসে পরিনত হয়েছে।
৪। একা খাটে শুলেই মনে হয় রাতে অতিপ্রাকৃত কোন কিছু আমার সাথে শোবে। সে আমাকে মেরে ফেলবে। মাঝে মাঝে আমি তার অস্তিত্ব অনুভব করি। তার ছবি আমার চোখের সামেনে ভেসে উঠে। সে তো একা নয়। তার সাথে আছে আরও অনেক সে। সে মানে ভূত।
ভয় পাওয়ার কতগুলো প্রকৃত উদাহরন:
১। জ্যোৎস্না রাত। রিকশায় বসে আছি একা (কোন এক কারনে,রিকশা ওয়ালা কিছু সময়ের জন্য অনুপস্থিত)। মনে হল আশপাশের সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে। রাত আনুমানিক সাড়ে দশটা। গ্রামে এমনিতেই লোকজন তারাতারি ঘুমিয়ে পড়ে। আমি যেখানে রিকশায় বসে আছি তার পাশে বাঁশঝাড়ের নীচেই দুটি 'কবর'। 'কবর' থেকে কিছুদূর গেলেই বেশ প্রশস্থ খাল। কবরের ঠিক বিপরীত দিকে কিছুদূরে কৃত্রিম বন-জঙ্গল। তার উপরে পূর্ণিমা চাঁদ উঁকি দিয়ে রয়েছে। উত্তর দক্ষিন থেকে হাওয়া বইছিল ঝিরঝির করে। হাওয়ার তালে বাঁশের পাতা নড়ছিল আর খসখস শব্দ হচ্ছিল। যার ফলে চাঁদের আলোয় এক আলো আধারীর খেলা চলছিল, মনে হচ্ছিল কবর থেকে উঠে আসা প্রেতাত্মাগুলো নাচছে। নদীর দিকে তাকাতেই মনে হল এই বুঝি ভেসে উঠল কোন অজানা কিছু। কিন্তু সেই অজানা কিছুটি কী?
২। নিজ এলাকা থেকে কিছু দূরে ওয়াজ মাহফিল হচ্ছে। ওয়াজ মাহফিলে হরেক রকমের খাবার আসত। ছোট ছিলাম বলে এগুলোর প্রতিই ঝোক ছিল বেশি। তো ওয়াজ শুনছি আর খাবার খাচ্ছি। রাত তখন এগারোটা। হঠাত খেয়াল হল আমার বন্ধুদেরকে আশপাশে দেখছি না। খোঁজকরে বুঝলাম আমাকে রেখেই বাছাধনরা বাড়িতে চলে গেছে। আমাবস্যা রাত। নিজ গ্রামের কাউকে না পেয়ে একাই রওনা দিলাম। হাটছি একা। মাঝে মাঝে রাস্তায় হয়তো দু একজনের সাথে দেখা হচ্ছে। হাটছি তালগাছের নীচ দিয়ে। মনে হল এই বুঝি তালগাছের আগা থেকে আমার কাধে ঝাপিয়ে পড়ল সে। যাচ্ছি নদীর পাশ দিয়ে। যাচ্ছি বাঁশঝারের পাশ দিয়ে। মাথার উপর বাঁশের পাতা খসখস করছে। মনে হয় যেন নি:শ্বাস ফেলছে কোন অতৃপ্ত কেউ। অথবা কখনও মনে হল আমাকে কেউ পেছন থেকে তাড়া করছে। যাক বাড়িতে এস পৌঁছলাম শেষ পর্যন্ত একদম একাই।
আপনি নিজেও ইচ্ছে করলেই ভয় পেতে পারেন:
১। হরর ফিল্ম দেখছেন। ফিল্ম দেখা শেষ হলে ঘুমোতে যাবেন্ ঘরের বাতি নিভান। একটি জানালা খুলে দিন। মনে করুন হরর ফিল্মে যা দেখেছেন তাই ঘটতে যাচ্ছে আপনার সাথে। চতুর্দিক থেকে ওরা আসছে আপনাকে তাড়া করতে। একটু ভাবুন তো তখন আপনার অবস্থাটা কী হবে?
২। ছোট বেলায় দাদীর কাছে একটি ভূতের গল্প শুনেছেন। ঠিক এমন একটি গল্পই মনে করার চেষ্ঠা করুন। দাদী ভূতের চেহারা আকৃতির যে বর্ণনা দিয়েছেন তা মনে করার চেষ্ঠা করুন। রাস্তায় বা ঘরের মধ্যে অন্ধকারে সেই ভূতের ছবিটি ভিজুয়ালাইজ করুন। আশ্চর্য হয়ে যাবেন আপনি যখন দেখবেন আপনার ঠিক চোখেন সামনেই দাড়িয়ে আছে আপনার কল্পিত সেই ভূতটি।
৩। রুমে আপনি একা। রুমটি অন্ধকার। বাইরেও বেশ অন্ধকার। সম্ভবত আমাবস্যা রাত। ভাবুন আপনার রুমের জানালার একটি কপাট ফাকঁ হয়ে আছে। তার মধ্য দিয়ে একজোড়া লাল রাগত চোখ আপনাকে অনেকক্ষন যাবত লক্ষ করছে। যেকোন সময় জানালার ফাঁক গলে সে আপনার কাছে চলে আসতে পারে। তখন আপনার কী অবস্থাটা হবে চিন্তা করেছেন?
৪। আর হ্যা খুব বেশী সাহসী হলে কবরস্থানের মধ্যখানে গিয়ে বসে থাকুন একদম একলা। ভয় কাকে বলে হয়ত তখন টের পাবেন।
ভয়ের সাথে বন্ধুত্ব করা:
আমাদের প্রত্যেকেরই কম বেশী বন্ধু আছে। আমরা বন্ধুদেরকে সাধারনত ভয় পাই না। তাই আমাদের ভয়কে বন্ধু ভাবতে হবে। পার্থিব জগতে সবার সাথেই ভয় আছে। ভয় থাকবেই। ভয় তো আমার বন্ধু। সে আমাকে সঙ্গ দেয়। আমি যখন একা থাকি তখন তার থেকে ভালো বন্ধু আর কোথায় পাবো? ভয় আমারে অনেক বন্ধুদের মাঝে একজন।
ভয়কে খেলা ভাবা:
ফুটবল,ক্রিকেট,হকি কত ধরনের খেলাইতো আমরা খেলি। ভয়ও তেমনি একটি খেলা। এ খেলাটির নাম ভয়-ভয় খেলা। এ হচ্ছে খেলাচ্ছলে ভয় পাওয়া। সবসময় ভাবুন ভয়কে নিয়ে আমি খেলা করি। আর এ খেলায় আমার জয় অবশ্যাম্ভাবী।
জগতে ভূত বলে কিছু নেই:
জগতে সত্যিই ভূত বলে কিছু নেই। মানুষ ভয় পায় তার মনের জন্য। তার উদ্ভট কল্পনার জন্য সে ভয় পায়। ভূত পেত্নী এ সব তার নিজের বানানো চরিত্র। প্রকৃতিতে বা বাস্তবে এদের কোন অস্তিত্ব নেই। মানুষ যখন কল্পনায় এসব নিয়ে ভাবে তখন সে বাস্তবে এ চরিত্রগুলো ভিজুয়ালাইজ করে যার ফলে এসব চবিত্র তার সামনে বাস্তব রূপে ধরা দেয়।
অন্ধকারই ভালো:
অন্ধকারই ভালো। আলোর চেয়ে অন্ধকারই ভালো। ভয় যারা পান তাদেরকে এ কথাটিই মনে প্রানে বিশ্বাস করতে হবে। অন্ধকারেই আমি স্বস্তি বোধ করি। নিজের মত করে নিজেকে ভাবার সুযোগ পাই। নিজের মনকে নিয়ন্ত্রনের সুযোগ মেলে অন্ধকারেই।
ভয় নেই !
কি বুঝছেন? এখন আর আপনি ভয় পাচ্ছেন না। ঠিক তাই? ভয়কে বন্ধু ভাবা,অন্ধকার ভালো লাগা,ভয়-ভয় খেলা এগুলো প্রত্যহ অনুশীলন করলে ভয়ই বরং আপনাকে ভয় পাবে। চেষ্ঠা করেই দেখন না।
*** উপরোক্ত প্রতিবেদন কোন বৃহৎ গবেষনার ফসল নয়। যার ফলে এত ভূল থাকাই স্বাভাবিক।
“সানারপাড় কম্পিউটার টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট” এর প্রসপেক্টাসের জন্য বাণী
আমি ব্যক্তিগতভাবে অত্যান্ত আনন্দের সাথে লক্ষ্য করেছি যে, উল্লেখযোগ্য হারে বাংলাদেশর অর্থনৈতিক উন্নয়নে আউটসোর্সিং শিল্প ব্যাপক প্রভাব রাখছে। তবে পরিতাপের বিষয় যেখানে ওডেস্ক নামক বিশ্বের অন্যতম বিশাল আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেসে ফিলিপাইনের মত দেশ প্রথম অবস্থানে থাকে সেখানে পযার্প্ত ট্রেনিং সহায়তা ও উদ্যোগ-সচেতনতার অভাবে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়। তবে বিশ্বের আরেক বিশাল আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেস ফ্রিল্যান্সার ডট কম আয়োজিত “লোগো এক্সপোজার” প্রতিযোগীতায় বাংলাদেশের শাওন বিজয়ী হওয়া ও “এসইও” প্রতিযোগীতায় বাংলাদেশের ডেভসটিমের প্রথম হওয়া প্রমান করে আমার এগিয়ে যাচ্ছি। আউটসোর্সিং একটি অত্যান্ত সম্ভাবনাময় আয়ের ক্ষেত্র। ২০১০ সালে এই খাতে আয় হয়েছে প্রায় ৭০ লাখ ডলার এবং ২০১২-১৩ অর্থবছরে এই আয় বেড়ে দাড়িয়েছে ১০ কোটি ডলারে।
অন্যদিকে অটোক্যাড হচ্ছে এমন একটি প্রোগ্রাম যার মাধ্যমে বিমান, জাহাজ, দালান, বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, নকশা, প্যাটার্নসহ প্রায় সবকিছুরই ডিজাইন করা যায়। প্রাথমিক পযার্য়ে মাত্র কয়েকটি কমান্ড আর টুলস দিয়ে কাজ করা গেলেও দ্বিমাত্রিক, ত্রিমাত্রিক, মোবাইল অ্যাপ, শতাধিক কমান্ড ও টুলস নিয়ে অটোক্যাডকে আজ প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি ডিজাইন সফটওয়্যার বলা যায়। গার্মেন্টস শিল্প থেকে আরম্ভ করে টেক্সটাইল, জাহাজ শিল্প, বিমান শিল্প, ইন্টেরিয়র ডিজাইন ইত্যাদিতে অটোক্যাড প্রোগ্রাম ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। অটোক্যাডে প্রশিক্ষনপ্রাপ্তরা কোন প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রী ছাড়াই বড় বড় প্রতিষ্ঠানে অটোক্যাড অপারেটর হিসেবে কাজ করতে পারে। দেশ ও দেশের বাহিরে অটোক্যাডে দক্ষ জনশক্তির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
আমি মনে করি, আইসিটিকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করা, বেকার সমস্যা দূরীকরণ এবং দারিদ্র বিমোচনে অবদান রাখা যাবে। আইসিটির ক্ষমতা ব্যবহারের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নের লক্ষ উল্লেখযোগ্যহারে অর্জন করা সম্ভব হয়ে উঠতে পারে। “সানারপাড় কম্পিউটার টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট” যে গুরুদায়িত্ব সফলতার সাথে পালন করে যাচ্ছে আমি সেটার উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করি।
লেখক :
মেহেদী হাসান
ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড আইসিটি
এসইও এন্ড বিটুবি কনসালটেন্ট
প্রধান নিবার্হী
স্টারিয়ণ লিমিটেড
Tag :
আমার লেখা,
চিত্তাকর্ষক সংবাদ
নার্সারি গ্রাম বুড়িয়ারডাঙ্গা
খুলনা জেলার ফুলতলা উপজেলার একটি ছোট গ্রাম বুড়িয়ারডাঙ্গা। গ্রামটি যশোর-খুলনা মহাসড়ক লাগোয়া। এ মহাসড়কের পাশেই রয়েছে গাছের চারা বিক্রির সারি সারি দোকান। চমৎকার তাদের নাম।
নানা প্রকার গাছ-গাছালির ঘেরাটোপে বন্দি গ্রামটি। এদেশের আর দশটি গ্রামের মতোই চিরসবুজ চিরশান্ত। বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই গ্রামটির বিশেষত্ব। গ্রামে ঢোকার পথ রয়েছে বেশক'টি। তার যে কোনও একটি দিয়ে প্রবেশ করলে চোখে পড়বে গ্রামটির বৈশিষ্ট্য। এ গ্রামের প্রতিটি বাড়ির উঠানে, আঙিনায় ও ক্ষেত-খামারে গড়ে উঠেছে নার্সারি। এ পথ দিয়ে যতদূর যাওয়া যায়, যতদূর দেখা যায় চোখে পড়ে শুধু নার্সারি আর নার্সারি। আরও দেখা যায়, কোনও কোনও নার্সারির মাঝখানে গোলপাতার তৈরি ঘরের নিচে বসে কৃষি মজুররা বিশ্রাম নিচ্ছে, কেউ কেউ জমি নিড়াচ্ছে। গ্রামটির নাম বুড়িয়ারডাঙ্গা। স্থানীয় লোকজন বলে নার্সারি গ্রাম। এ বিচিত্র গ্রামের বেশিরভাগ লোকই কোনও না কোনওভাবে নার্সারি পেশার সঙ্গে যুক্ত। নার্সারির কারণেই এ গ্রামের সব মানুষের ভাগ্য বদলে গেছে। গ্রামটিও ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছে।
খুলনা জেলার ফুলতলা উপজেলার একটি ছোট গ্রাম বুড়িয়ারডাঙ্গা। গ্রামটি যশোর-খুলনা মহাসড়ক লাগোয়া। এ মহাসড়কের পাশেই রয়েছে গাছের চারা বিক্রির সারি সারি দোকান। চমৎকার তাদের নাম। এসব দোকানের পেছনেই রয়েছে গ্রামটি। এ গ্রামের লোকজনের যার যতটুকু জমি আছে, তার মধ্যে তারা গড়ে তুলেছে নার্সারি। যারা চাকরি বা অন্য পেশার সঙ্গে যুক্ত তারাও অবসর সময়ে নার্সারি পরিচর্যা করে। এ গ্রামে নার্সারি গড়ার পেছনে রয়েছে ছোট এক ইতিহাস। শেখ আবু বক্কর নামের এ গ্রামের এক লোক ব্রিটিশ আমলে কলকাতায় চাকরি করতেন। তিনি একবার বাড়ি ফেরার সময় শখ করে কলকাতা থেকে গোলাপ ফুল গাছের একটি চারা এনে বাড়ির উঠানে লাগান। কিছুদিন পরই গাছটিতে অভাবনীয় ফুল ধরে। এতে তিনি ভীষণ উৎসাহিত হন এবং প্রতিবার ছুটিতে বাড়ি ফিরে আসার সময় নানা জাতের ফুল, ফল ও ঔষধি গাছের চারা এনে লাগিয়ে একই ফল পান। শেখ আবু বক্করের এ সাফল্যের কথা সারা গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। তার প্রতিবেশী এবং আত্দীয়স্বজন এসে তার কাছ থেকে চারা ও বীজ সংগ্রহ করে নিজেদের উঠানে ও বাগানে লাগিয়ে ব্যাপক সাফল্য পায়। তবে প্রথমদিকে সবাই শখের বশেই ফুল-ফল গাছের চারা লাগাত। কিন্তু দিন দিন এসব গাছের চারা ও বীজের চাহিদা বেড়ে গেলে কেউ কেউ বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে। গাছের চারা উৎপাদন লাভজনক হওয়ায় বুড়িয়ারডাঙ্গা গ্রামের প্রায় সবাই এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। যার যতটুকু জমি আছে, তার মধ্যেই নার্সারি গড়ে তোলে। ধীরে ধীরে পুরো গ্রামের চেহারা যায় পাল্টে।
ফুলতলার বুড়িয়ারডাঙ্গা গ্রামে নার্সারি গড়ে ওঠার মূল কারণটি হচ্ছে এখানকার মাটি। এ গ্রামের মাটির গুণ এমনই যে, যে কোনও গাছের চারা লাগালেই তা কিশোরীর শরীরের ন্যায় লকলকিয়ে বেড়ে ওঠে। আর ভালো জাতের বীজ বা চারা রোপণ করলে তার ফলন হয় আরও বেশি। এ গ্রামের মাটির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে দো-আঁশযুক্ত এবং উঁচু। বন্যা অথবা অতিবৃষ্টির কারণে জমিতে পানি জমে না। বৃষ্টির পানিতে এখানকার মাটি পিচ্ছল বা কাদা হয় না। আবার প্রচণ্ড খরায় মাটির রস শুকিয়ে যায় না। মাটির এতসব গুণের কারণেই এখানে সব ধরনের গাছের কলম ভালো হয়।
এ গ্রামের নার্সারিগুলোতে এখন সব ধরনের গাছের চারা উৎপাদন হয়। সাধারণ ও হাইব্রিড উভয় জাতের ফুল, ফল, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা পাওয়া যায়। তবে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় ফুল গাছের চারা। ফুল গাছের চারার মধ্যে রয়েছে গোলাপ, ডালিয়া, শিউলি, রক্তজবা, সাদা জবা, নীলকণ্ঠ, মালতি, রক্তকরবী, পলাশ, জিনিয়া, কনকচাঁপা, গাঁদা, রজনীগন্ধা, গন্ধরাজ, নাইট কুইন, চন্দ্র মল্লিকা, শিমূল, বকুল প্রভৃতি। এখানকার নার্সারিগুলোতে শুধু শতাধিক প্রকারের গোলাপ ফুল গাছের চারা উৎপাদন হয়। বিশ্বের প্রায় সব দেশের গোলাপই এখানকার নার্সারিগুলোতে পাওয়া যায়।
নানা রকমের ফল গাছের চারা উৎপাদনের জন্যও এ গ্রামটি বিখ্যাত। আম, জাম, কাঁঠাল, নিচু, আঙ্গুর, খেজুর, নারিকেল, বরই, আমড়া, সফেদা, কামরাঙ্গা, জলপাই, লটকন প্রভৃতি জাতের ফলের গাছের চারা এখানে পাওয়া যায়। সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় আম গাছের চারা। বিভিন্ন জাতের ও নামের আম গাছের চারাই উৎপাদন হয় দু'ডজনের উপরে। এরপর বিক্রি হয় নারিকেল গাছের চারা। বিভিন্ন প্রকার ঔষধি ও বনজ গাছের চারাও এখানে উৎপাদন হয়। এসব গাছের মধ্যে রয়েছে আমলকী, হরিতকী, বহেরা, নিম, তুলসী, বাসক, নিসিন্দা, অজুর্ন, অশোক ইত্যাদি। বনজ গাছের চারার মধ্যে আছে ঝাউ, বট, মেহগনি, শিরিষ, দেবদারু, গোলপাতা, পাতাবাহার, করই, হিজল, তমাল, হেতাল ইত্যাদি। একাধিক প্রকার বটগাছের চারা এখানে উৎপাদন হয়। এসব গাছের চারা ছাড়াও লেবু, বাতাবি লেবু, নাশপাতির চারাসহ বহু বিচিত্র গাছের চারাও এখানকার নার্সারিগুলোতে উৎপাদন হয়।
বুড়িয়ারডাঙ্গা গ্রামের নার্সারির মালিকরা নানা উৎস থেকে ভালো জাতের ফুল, ফল ও ঔষধি গাছের বীজ সংগ্রহ করেন। তারা প্রয়োজনে ইউরোপ, আমেরিকা, চীন, ভারত, থাইল্যান্ড প্রভৃতি দেশ থেকে ভালো জাতের ফুল ও ফল গাছের বীজ সংগ্রহ করেন। মাটি ভালোমতো পরিচর্যা করে সার ও খৈল মিশিয়ে তারপর বীজ রোপণ করা হয়। বীজ ও চারাকে যাতে পোকামাকড় থেকে মুক্ত রাখা যায় তার জন্য কীটনাশক ওষুধ ব্যবহার করা হয়। প্রত্যেক জাতের ফুল ও ফল গাছের জন্য আলাদা আলাদা বীজতলা তৈরি করা হয়। চারা একটু বড় হলেই বিক্রি শুরু হয়। যশোর-খুলনা মহাসড়কের পাশে প্রত্যেক নার্সারির বিক্রয় কেন্দ্র আছে। সেখানেই চারা বিক্রি করা হয়। সবচেয়ে বেশি চারাগাছ বিক্রি হয় বর্ষকালে। তাই এখন নার্সারিগুলোতে সাজসাজ রব। তবে এখানকার নার্সারিগুলোতে সারাবছরই চারা উৎপাদন ও বিক্রি হয়।
দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলা খুলনার এই ছোট শ্যামল গ্রামটিতে রয়েছে দু'শতাধিক নার্সারি। প্রত্যেক নার্সারিতে গড়ে ৫-৭ জন কৃষি মজুর কাজ করে। কিছু মজুর এ গ্রামের অধিবাসী। বাকিরা বিভিন্ন স্থান থেকে আসা মজুর। তিনবেলা খাবার দিয়ে প্রত্যেক মজুরকে দৈনিক ১২০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক দিতে হয়। তারপরও নার্সারিগুলো ভালো ব্যবসা করে। পাইকারি ও খুচরা উভয়ভাবে এখানে চারা বিক্রি হয়। গাছের চারা ১০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। গ্রামটির অবস্থানগত কারণে খুব সহজে এখান থেকে দেশের যে কোনও স্থানে ট্রাকে করে চারা পাঠানো যায়। এখানকার নার্সারি থেকে ব্যবসায়ীরা চারা কিনে দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের হাটবাজার এবং মেলায় বিক্রি করে। এ পথ দিয়ে যাতায়াতকারী বিভিন্ন পেশার মানুষ গাড়ি কিংবা ভ্যানে করে চারা কিনে নিয়ে যায়।
বুড়িয়ারডাঙ্গা গ্রামের মানুষের একান্ত নিজস্ব উদ্যোগে এ নার্সারি শিল্প গড়ে উঠেছে। দেশে পরিবেশ রক্ষায় ও বৃক্ষায়নে এ গ্রামের নার্সারিগুলো ব্যাপক অবদান রেখে চলেছে। কোনও কোনও নার্সারির মালিক সরকার কতৃর্ক পুরস্কারও পেয়েছেন। বাবুল হাসান, মনিরুল, ওহিদুলের মতো বেকার যুবকরা নিঃস্ব অবস্থা থেকে নার্সারির বিনিময়ে আজকে লাখোপতি হয়েছে। এ গ্রামে কোনও বেকার নেই। কোনও নিরক্ষর লোকও নেই। এ গ্রামের মানুষ অন্য গ্রামে আত্দীয়স্বজনের বাসায় বেড়াতে গেলে ফুল বা ফলের গাছের চারা সঙ্গে করে নিয়ে যান। আত্দীয়স্বজনরা একবাঙ্ মিষ্টির চেয়ে এ গ্রামের একটি ফুল বা ফল গাছের চারা উপহার পেলে বেশি খুশি হয়।
তথ্য সূত্র: দৈনিক যুগান্তর
Tag :
কৃষি জিজ্ঞাসা,
চিত্তাকর্ষক সংবাদ
হোমনার টুপি বিদেশে রপ্তানী হচ্ছে
কুমিল্লা ও আশপাশের জেলায় ঈদের মুসল্লিদের প্রধান আকর্ষণ হোমনার টুপি। হোমনার টুপি দেশের গন্ডি পেরিয়ে রফতানি করা হচ্ছে বিদেশেও। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে হোমনার টুপির চাহিদা বেশি। তবে সম্প্রতি পাকিস্তানিরা এ বাজারে কিছুটা ভাগ বসানোর কারণে এবার রফতানি বাণিজ্য কিছুটা মন্দা বলে তারা জানান।
হোমনার টুপিপল্লীতে গিয়ে জানা যায়, হোমনায় ১৫ বছর ধরে টুপি তৈরি করা হচ্ছে। এর আগে ঢাকায় তারা টুপি তৈরি করতেন। পরে নিজেদের দক্ষতা অর্জন করে এবং মূলধন প্রস্তুত করে এলাকায় এসে টুপি তৈরি শুরু করেন। বর্তমানে হোমনা সদর ও পাশের সাপলেজী, রামপুর, ঘাগুটি, দৌলতপুর, নোয়াগাঁও গ্রামে ৫০টি কারখানা রয়েছে। সেখানে লেইস, সাদা জালি, রঙিন জালি, বেলভেট ও ওমানি নামের টুপি তৈরি হয়।
টুপি প্রস্তুতকারীরা জানান, হোমনার তৈরি এ টুপির শতকরা ৮০ ভাগ রফতানি হয় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে। বিশেষ করে প্রায় ৬০ ভাগ রফতানি হয় সৌদি আরবে। বাকি ২০ ভাগ বিক্রি হতো দেশে। বিদেশে রফতানি বাণিজ্যে আধিপত্য থাকায় এখানকার টুপি প্রস্তুতকারীরা কখনো দেশের বাজারের দিকে মনোনিবেশ করেননি। তবে এবার বিদেশে, বিশেষ করে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে টুপি রফতানি অপ্রত্যাশিতভাবে কমে যাওয়ায় কিছুটা বিপদে পড়েছেন তারা।
হোমনার টুপিপল্লীতে গিয়ে জানা যায়, হোমনায় ১৫ বছর ধরে টুপি তৈরি করা হচ্ছে। এর আগে ঢাকায় তারা টুপি তৈরি করতেন। পরে নিজেদের দক্ষতা অর্জন করে এবং মূলধন প্রস্তুত করে এলাকায় এসে টুপি তৈরি শুরু করেন। বর্তমানে হোমনা সদর ও পাশের সাপলেজী, রামপুর, ঘাগুটি, দৌলতপুর, নোয়াগাঁও গ্রামে ৫০টি কারখানা রয়েছে। সেখানে লেইস, সাদা জালি, রঙিন জালি, বেলভেট ও ওমানি নামের টুপি তৈরি হয়।
টুপি প্রস্তুতকারীরা জানান, হোমনার তৈরি এ টুপির শতকরা ৮০ ভাগ রফতানি হয় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে। বিশেষ করে প্রায় ৬০ ভাগ রফতানি হয় সৌদি আরবে। বাকি ২০ ভাগ বিক্রি হতো দেশে। বিদেশে রফতানি বাণিজ্যে আধিপত্য থাকায় এখানকার টুপি প্রস্তুতকারীরা কখনো দেশের বাজারের দিকে মনোনিবেশ করেননি। তবে এবার বিদেশে, বিশেষ করে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে টুপি রফতানি অপ্রত্যাশিতভাবে কমে যাওয়ায় কিছুটা বিপদে পড়েছেন তারা।
সূত্র : দৈনিক পত্রিকা অবলম্বনে
Tag :
চিত্তাকর্ষক সংবাদ,
ব্যবসা বানিজ্য








